Bangla pdf books

একাত্তরের দিনগুলি pdf download by জাহানারা ইমাম

নামঃ- একাত্তরের দিনগুলি pdf download | Ekattorer Dinguli pdf download 

লেখকঃ- জাহানারা ইমাম 

Size:- 12MB

১৯৭১ সালে বাঙালির স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সঙ্গে জাহানারা ইমাম একাত্মতা ঘােষণা করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মৃত্যু, দুঃস্বপ্নভরা বিভীষিকার মধ্যে তাঁর ত্যাগ ও সতর্ক সক্রিয়তা।

দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ উদাহরণ হয়ে আছে। শহীদ রুমীর মা পরিণত হন শহীদ জননীতে। মুক্তিযুদ্ধে সন্তান বিয়ােগের বেদনাবিধুর মাতৃহৃদয় এবং যাতনা মূর্ত হয়েছে তাঁকে কেন্দ্র করে । 

গত শতকের নব্বই দশকে মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তির উত্থানে জনমনে যে ক্ষোভের সঞ্চার হয় তার পটভূমিতে ১৯ জানুয়ারি ১৯৯২ সালে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হলে তিনি আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতকদের বিচারের দাবিতে দেশব্যাপী ব্যাপক গণআন্দোলন পরিচালনা করেন। 

তাঁরই নেতৃত্বে ঐতিহাসিক সােহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে একাত্তরের ঘাতকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয় গণআদালত শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে বিভিন্ন সংগঠনের মধ্য দিয়ে মানুষের মনােজগতে পৌছে দিয়েছেন তার অধীত জ্ঞান সম্ভার।

মার্চ সােমবার। ১৯৭১

আজ বিকেলে রুমী ক্রিকেট খেলা দেখে তার বন্ধুদের বাসায় নিয়ে আসবে হ্যামবার্গার খাওয়ানাের জন্য। গােসল সেরে বারােটার দিকে বেরােলাম জিন্না এভিনিউয়ের পূর্ণিমা স্ন্যাকবার থেকে ডিনার-রােল কিনে আনার জন্য।

দু’ডজন ডিনার-রােল কিনে সােজা চলে এলাম বাড়ির কাছে নিউ মার্কেটে। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রায়ই বিভিন্ন দোকানে খোঁজ করি পূর্ব পাকিস্তানের তৈরি সাবান, তেল, টুথপেস্ট, বাসন-মাজা পাউডার; কিন্তু পাই না। একমাত্র ইভা বাসন-মাজা পাউডারটাই এখানকার তৈরি-বলা যেতে পারে সবেধন নীলমণি।

পিয়া নামের এক ঢাকাই টুথপেস্ট বাজারে বের হবাে-হবাে করে এখনও বের হতে পারছে না, আল্লাই মালুম কি কঠিন বাধার জন্য! বাড়ি ফিরতে ফিরতে দেড়টা। দরজা খুলে দিয়েই বারেক জানাল : সাবরে ফুন করেন আম্মা। খাবার-দাবার কিন্যা রাখতে কইছে। কই জানি গুণ্ডগােল লাগছে।

গণ্ডগােল? তা লাগতেই পারে। গত দু’মাস থেকেই তাে ঢাকা তপ্ত কড়াই হয়ে রয়েছে। অফিসে ফোন করতেই শরীফ জানাল : প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া বেলা একটার সময় রেডিওতে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘােষণা করেছেন।

সঙ্গে সঙ্গে শহরে সব জায়গায় হৈচৈ পড়ে গেছে। লােকেরা দলে দলে অফিসআদালত ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে। স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। ওখানকার সব দর্শক স্লোগান দিতে দিতে মাঠ থেকে বেরিয়ে পড়েছে।

এখানে মতিঝিলে তাে দারুণ হৈচৈ হচ্ছে চারদিকে। কেন, নিউ মার্কেটের দিকে কিছু দেখনি? আমি হতভম্ব হয়ে বললাম, ঐ সময়টা আমি পেছন দিকের দোকানগুলােয়।ছিলাম, ঠিক খেয়াল করিনি। ওখানকার লােকেরা হয়তাে এখনও শুনে ওঠেনি।

তারপরেই চেঁচিয়ে উঠলাম, ‘রুমী-জামী যে স্টেডিয়ামে! শরীফ বলল, “ চিন্তা কোরাে না। ওরা বেরিয়েই আমার অফিসে এসেছিল। জামীকে এখানে রেখে রুমী ওর বন্ধুদের কাছে গেছে। শােননা, বেশ গােলমাল হবে। এখানে অলরেডি মিছিল বেরিয়ে গেছে। 

READ  শেষ অধ্যায় নেই pdf download by সাদাত হোসেইন

বায়তুল মােকাররম, স্টেডিয়ামের দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, খবর পেলাম। গােলমাল বাড়লে কারফিউ দিয়ে দিতে পারে। ঘরে খাবারদাবার আছে কিছু? না থাকলে এক্ষুনি কিনে রাখাে।

তক্ষুনি আবার বেরােলাম। এলিফ্যান্ট রােডে উঠতেই দেখি—দুপাশের ছােট ছােট দোকানগুলােতে লােকজনের অস্বাভাবিক ভিড়। সবাই ঊর্ধ্বশ্বাসে কেনাকাটা করছে। দোকানিরা দিয়ে সারতে পারছে না। 

আমিও দু-তিনটে দোকান ঘুরে, ভিড়ের মধ্যে গুঁতােগুতি করে, টোস্ট বিস্কুট, চানাচুর, দেশলাই, মােমবাতি, গুঁড়াে দুধ, ব্যাটারি এসব কিনলাম। বাড়িতে এসেই বারেকের হাতে খালি কেরােসিনের টিন আর সুবহানের হাতে খালি বস্তা ধরিয়ে পাঠিয়ে দিলাম কেরােসিন আর চাল কেনার জন্য।

এইসব করতে করতে শরীফ আর জামী এসে গেল অফিস থেকে। প্রায় তিনটে বাজে। টেবিলে বেড়ে রাখা খাবারের ঢাকনা তুলে খেতে বসে জিজ্ঞেস করলাম, ‘আর খবর কি?” ‘শেখ মুজিব হােটেল পূর্বাণীতে প্রেস কনফারেন্স ডেকেছেন। 

আসার সময় দেখি হােটেলের সামনে তিনটে রাস্তাই একেবারে মেইন রােড পর্যন্ত লােকে ঠাসা। সবার হাতে লােহার রড আর বাঁশের লাঠি। অফিস থেকে বেরিয়ে দৈনিক পাকিস্তানের দিক দিয়ে গাড়ি নিতে পারলাম না ভিড়ের চোটে।শেষে গভর্নমেন্ট হাউসের পাশের রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে গুলিস্তান ঘুরে এসেছি। রুমী এখনও ফেরেনি?

এবার আমিই শান্তস্বরে বললাম, “এই হৈচৈতে কোথাও আটকে গেছে মনে হয়। খেলার শেষে বন্ধুদের নিয়ে হ্যামবার্গার খেতে আসার কথা। এখন খেলা। যখন বন্ধ হয়ে গেছে, হয়তাে আগেই আসবে। চারটে বাজল, পাঁচটা বাজল। রুমীর দেখা নেই। সাড়ে চারটের মধ্যে দুই ডজন হ্যামবার্গার বানিয়ে আয়ে মৃদু গরমে রেখে দিয়েছি।

সন্ধে পেরিয়ে রাত এসে গেল। রুমী এল আটটারও পরে। একা। বিকেল সন্ধে বাগানে পায়চারি করতে করতে আমার রাগ উপে উদ্বেগ দানা বাঁধছিল মনে। রুমীকে দেখেই রাগ আবার ঝাপিয়ে এল সামনে। রুমী আত্মরক্ষার ভঙ্গিতে দুই হাত তুলে, মুখে হৃদয়-গলানাে হাসি ভাসিয়ে বলল, ‘আগে শােনাে তাে আমার কথা। 

কত কি যে ঘটে গেল একবেলায়! সবকিছুর স্কুপ-নিউজ এখুনি দিতে পারি। তােমায়। নাকি, কাল সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করবে খবর-কাগজের জন্য? আমি হাসি চেপে ভ্রুকুটি বজায় রেখে বললাম, ‘কি তােমার স্কুপ-নিউজ, শুনি?”

“অনেক অনেক। একেবারে গােড়া থেকে বলি। একটার সময় স্টেডিয়ামে ছিলাম। অনেক দর্শকই সঙ্গে রেডিও নিয়ে গিয়েছিল। অধিবেশন স্থগিত ঘােষণা যেই না কানে যাওয়া, অমনি কি যে শােরগােল লেগে গেল চারদিকে! মাঠ-ভর্তি চল্লিশ-পঞ্চাশ হাজার দর্শক—সবাই জয়বাংলা স্লোগান দিতে দিতে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। 

READ  ক্রাচের কর্নেল pdf download (kracer kornel pdf download)

আমি জামীকে আব্দুর অফিসে রেখে ছুটলাম ইউনিভার্সিটিতে। ওখানেও একই ঘটনা। রেডিও’র ঘােষণা শােনামাত্রই ছেলেরা সবাই দলে দলে ক্লাস থেকে, হল থেকে বেরিয়ে বটতলায় জড়াে হতে শুরু করেছে। আমি যখন পৌঁছলাম, তখনও ছেলেরা পিলপিল করে আসছে চারদিক থেকে।

মনে হল সমুদ্রের একেকটা ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে বটতলায়। তখুনি ছাত্রলীগ আর ডাকসুর নেতারা ঠিক করল বিকেল তিনটেয় পল্টন ময়দানে মিটিং করতে হবে। ‘পল্টনে মিটিং হল? দেড়টা-দুটোয় বলল আর তিনটেয় মিটিং হল?”

‘হল মানে? সে তুমি না দেখলে কল্পনাও করতে পারবে না আম্মা। এ্যা-ত লােক! এ্যাত লাে-ক! উঃ আল্লারে! কিন্তু মিটিংয়েরও আগে তাে পূর্বাণীতে শেখ মুজিব প্রেস কনফারেন্স ডাকলেন। উনি অবশ্য সকাল থেকেই ওখানে তাঁদের দলের পার্লামেন্টারি বৈঠকে ছিলেন। 

ইয়াহিয়ার ঘােষণার এক ঘণ্টার মধ্যে পঞ্চাশ-ষাট হাজার লােক বাঁশের লাঠি আর লােহার রড ঘাড়ে নিয়ে পূর্বাণীর সামনে সবগুলাে রাস্তা জ্যাম করে ফেলল। সেকি স্লোগান! পাকিস্তানি ফ্ল্যাগ আর জিন্নার ছবিও পুড়িয়েছে। শেখ তক্ষুনি সাংবাদিকদের ডেকে ঘােষণা দিলেন।হরতালের আর ৭ই মার্চ রেসকোর্সে মিটিংয়ের।’

মনটা আস্তে আস্তে নরম হয়ে আসছে। শরীফও বলেছে পূর্বাণীর সামনে ভিড়ের কথা। তবু মুখের বেজার ভাবটা বজায় রেখে বললাম, “এত ঝঞাটের মধ্যে দু’ডজন হ্যামবার্গার ঠিকই বানালাম। কিন্তু তােদের কারাে মনে নেই সে কথা।

‘মনে থাকার যাে আছে আম্মা? কি যে খই ফুটছে সারা শহরে। গুলিস্তানের মােড়ে কামানের ওপর দাঁড়িয়ে মতিয়া চৌধুরী যা একখানা আগুনঝরানাে বক্তৃতা দিলেন না, শুনলে তােমারও গায়ে হলকা লাগত। সাধে কি আর ওঁকে সবাই অগ্নিকন্যা বলে!’

আমি আবার খেপে উঠলাম। এইবার গুল মারছিস। তুই একা এতগুলাে জায়গায় এক বিকেলে গেলি কেমন করে?

রুমী খুব বেশি রকম অবাক হয়ে বলল, “খুবই সিম্পল। বন্ধুর হােভার পেছনে চড়ে সবখানে টহল দিয়েছি। আমরা কি এক জায়গায় বসে নেতাদের বক্তৃতা শুনেছি নাকি? স্টেডিয়াম থেকে ইউনিভার্সিটি, সেখান থেকে পূর্বাণী, পূর্বাণী থেকে গুলিস্তান মােড়ের কামান, সেখান থেকে পল্টন-এমনি করে চরকিঘােরা ঘুরেছি না?”

‘সারাদিন খাওয়া হয়নি নিশ্চয়?” ‘কেই-বা খেয়েছে? ঐ একটার আগে যে যা খেয়েছে চা-বিস্কুট-ব্যস। আর খাওয়াদাওয়া নেই। বাঁশের লাঠি, লােহার রড—যে যা পেয়েছে, একেকখানা ঘাড়ে নিয়ে সবাই রাস্তায় নেমে গেছে। তবে এতক্ষণে টের পাচ্ছি সারাদিন খাওয়া হয়নি।

‘চল চল, আগে খেতে বস। খাওয়ার পর বাকিটা শুনব।’ ‘ঐ হ্যামবার্গারই দাও আমায়। নষ্ট করে কি লাভ? তােমরাও সবাই ঐ দিয়েই রাতের খাওয়া সেরে ফেললাে। ‘গুষ্টিসুদ্ধ খেয়েও কি সব ফুরােনাে যাবে?

চিন্তা কোরাে না। আমি একাই ছয়টা খেয়ে ফেলব।’ শেখ মুজিব আগামীকাল ঢাকা শহরে, আর পরশুদিন সারা দেশে হরতাল ডেকেছেন। ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে গণজমায়েতের ঘােষণাও দিয়েছেন।

READ  কারাগারের রোজনামচা pdf download (karagarer rojnamocha pdf download)

জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিতের কি পরিণাম হতে পারে, তা নিয়ে বহু রাত পর্যন্ত আলাপ-আলােচনা চলল খাবার টেবিলে বসে। রাত প্রায় বারােটার দিকে শুতে গিয়েও ঘুম এল না। অনেক দূর থেকে স্লোগানের শব্দ আসছে। 

বােঝা যাচ্ছে এত রাতেও অনেক রাস্তায় লােকেরা মিছিল করে স্লোগান দিচ্ছে। কেবল জয় বাংলা ছাড়া অন্য শ্লোগানের কথা ঠিক বােঝা যায় না। কিন্তু তবু ঐ সম্মিলিত শত-কণ্ঠের গর্জন সমুদ্রের ঢেউয়ের মতাে আছড়ে এসে পড়েছে শ্রুতির কিনারে।

শিরশির করে উঠছে সারা শরীর। গভীর রাতে আধাে-ঘুমে, আধাে-জাগরণে মনে হল যেন গুলির শব্দও শুনলাম।

মার্চ মঙ্গলবার ১৯৭১

আজ হরতাল। সকালে নাশতা খাওয়ার পর সবাই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলিফ্যান্ট রােডের মাঝখান দিয়ে খানিকক্ষণ হেঁটে বেড়ালাম। একটাও গাড়ি, রিকশা, স্কুটার এমনকি সাইকেলও নেই আজ রাস্তায়। রাস্তাটাকে মনে হচ্ছে যেন আমার বাড়ির উঠোন!

হরতালের দিনে ফাঁকা রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাঁটা আমাদের মতাে আরও অনেকেরই বিলাস মনে হয়। পাড়ার অনেকের সঙ্গেই দেখা হল। হাঁটতে হাঁটতে নিউ মার্কেটের দিকে চলে গেলাম। 

কী আশ্চর্য! আজকের কাঁচাবাজারও বসেনি। চিরকাল দেখে আসছি হরতাল হলেও কাঁচাবাজারটা অন্তত বসে। আজ তাও বসেনি। শেখ মুজিবুরসহ সবগুলাে ছাত্র, শ্রমিক ও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে যে সর্বত্র যানবাহন, হাটবাজার, অফিস-আদালত ও কলকারখানায় পূর্ণ হরতাল পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে, সবাই সেটা মনেপ্রাণে মেনে নিয়েই আজ হরতাল করছে।

নিউ মার্কেটের দিক থেকে ফিরে হাঁটতে হাঁটতে আবার উল্টো দিকে গেলাম হাতিরপুল পর্যন্ত। আমাদের সঙ্গে কিটিও হাঁটছে। রাস্তায় লােকেরা ওর সােনালি চুলের দিকে বাঁকা চোখে তাকাচ্ছে। ভাবছি তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে যাই।

বসার ঘরে ঢুকে রুমী ‘আরেক কাপ চা হােক।’ বলেই হাঁক দিল, ‘সুবহা-ন! সুবহান এ ঘরে আসতেই আমি বললাম, “পাঁচ কাপ চা দিয়ে যাও। সুবহান চা বানিয়ে এনে সেন্টার টেবিলে ট্রে-টা রেখে রুমীকে লক্ষ্য করে বলল, ‘ভাইয়া, তিনটার সুমায় পল্টনের মিটিংয়ে যাইবেন? রুমী গম্ভীর গলায় শুধােল, “কেন, তুমি যেতে চাও আমাদের সঙ্গে?

সুবহান কাঁচমাচু মুখে বলল, “আমায় যুদি পারমিশুন দ্যান। আমি হাসি চেপে গম্ভীর মুখে বললাম, “তাড়াতাড়ি রান্না সারতে পারলে যেতে পারবে।’

তাই আর দেরী না করে একাত্তরের দিনগুলি pdf download | Ekattorer Dinguli pdf download বইটি ডাউনলোড করুন। 

click here to download

একাত্তরের দিনগুলি pdf বইটির হার্ড কফি ক্রয় করুন।       

Rokomari.com | Amazon.com | Boibazar.com | Boierduniya.com

Ultra Next Gen

Best website for Bangla pdf download, Travel guides And many more. It’s the best website for this things
error: Content is protected !!